পৃথিবীর গতি: আবর্তন গতি ও পরিক্রমণ গতি (prithibir-goti-abartan-o-parikraman).
ভূমিকা:
মহাকাশের বিশালতায় আমাদের এই নীল গ্রহ পৃথিবী কখনোই স্থির নয়; বরং এটি সর্বদা নির্দিষ্ট নিয়মে গতিশীল। ভৌগোলিক আলোচনার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো পৃথিবীর গতি। সৃষ্টির আদিকাল থেকেই পৃথিবী দুটি বিশেষ পদ্ধতিতে আবর্তিত হয়ে চলেছে—একটি হলো আহ্নিক গতি এবং অন্যটি হলো বার্ষিক গতি। এই গতিগুলোর কারণেই পৃথিবীতে দিন-রাত্রির পরিবর্তন ঘটে এবং ঋতুচক্র আবর্তিত হয়, যা জীবজগতের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য অপরিহার্য।
পৃথিবীর গতি নিয়ে আলোচনার শুরুতে আমাদের জানতে হবে যে, পৃথিবী তার নিজের অক্ষের ওপর পশ্চিম থেকে পূর্বে অবিরাম পাক খাচ্ছে, যাকে আমরা আবর্তন গতি বা আহ্নিক গতি বলি। অন্যদিকে, নিজের মেরুদণ্ডের ওপর ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবী যখন একটি নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, তখন তাকে বলা হয় পরিক্রমণ গতি বা বার্ষিক গতি। এই দুই প্রকার গতির প্রভাবেই সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহ এবং সময়ের পার্থক্য নির্ধারিত হয়। সপ্তম শ্রেণীর ভূগোল থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার (যেমন WBCS বা SSC) প্রস্তুতিতে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পড়ানো হয়। মূলত, পৃথিবীর এই ছন্দময় গতির কারণেই পৃথিবীতে জীবনের অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকে। পৃথিবীর গতি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকলে আমরা মহাজাগতিক বিভিন্ন ঘটনা ও প্রকৃতির পরিবর্তনগুলো খুব সহজেই বুঝতে পারি।
আরো পড়ুন: বায়ুচাপ বলয় ও বায়ুপ্রবাহ: অষ্টম শ্রেণীর ভূগোল চতুর্থ অধ্যায় প্রশ্নোত্তর

আবর্তন গতি বা আহ্নিক গতি:
পৃথিবী নিজের অক্ষের চারদিকে যে ঘূর্ণন করে, তাকে আবর্তন গতি বলে। পৃথিবীর অক্ষ কক্ষতলের সঙ্গে প্রায় ৬৬½° কোণে হেলানো অবস্থায় থাকে। এই অবস্থায় পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে একটানা লাটুর মতো ঘুরতে থাকে।
পৃথিবীর একবার সম্পূর্ণ আবর্তন করতে সময় লাগে —
২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড, অর্থাৎ প্রায় ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিন।
এই কারণে একে আহ্নিক গতি বলা হয় (অহ্ন অর্থ ‘দিন’)।
আবর্তন গতির ফলে দিন ও রাত্রির সৃষ্টি হয়। পৃথিবীর যে অংশ সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে, সেখানে দিন হয়; আর অপর অংশে রাত হয়।
আবর্তন গতির বেগ:
- নিরক্ষরেখায় সবচেয়ে বেশি — প্রায় ১৬৭৪ কিমি/ঘণ্টা।
- মেরুর দিকে গেলে এই বেগ ক্রমশ কমে গিয়ে মেরুতে প্রায় শূন্য হয়।
পরিক্রমণ গতি বা বার্ষিক গতি:
পৃথিবী নিজের অক্ষের চারদিকে ঘূর্ণন করতে করতে সূর্যের চারদিকে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে প্রদক্ষিণ করে। এই গতিকে পরিক্রমণ গতি বলা হয়।
পৃথিবীর সূর্যকে একবার সম্পূর্ণ প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে —
৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড, অর্থাৎ প্রায় এক বছর।
তাই এই গতিকে বলা হয় বার্ষিক গতি।
পরিক্রমণ গতির বেগ:
পৃথিবীর গড় পরিক্রমণ গতি প্রায় ৩০ কিমি প্রতি সেকেন্ড।
পৃথিবীর আবর্তন গতি ও পরিক্রমণ গতির ফলাফল:
পৃথিবীর গতি—আবর্তন (Rotation) ও পরিক্রমণ (Revolution)—পৃথিবীতে নানা প্রাকৃতিক পরিবর্তনের কারণ। এই দুই গতির ফলেই দিন-রাত্রির পরিবর্তন, ঋতু পরিবর্তন, সময়ের পার্থক্য এবং জলবায়ুর বৈচিত্র্য দেখা যায়। নিচে উভয় গতির ফলাফল বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো—
আবর্তন গতির ফলাফল (Results of Rotation):
১. দিন ও রাত্রির সৃষ্টি:
পৃথিবী নিজের অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘূর্ণন করার ফলে পৃথিবীর যে অংশ সূর্যের দিকে মুখ করে, সেখানে দিন হয় এবং যে অংশ সূর্যের বিপরীতে থাকে, সেখানে রাত হয়।
২. দিন ও রাত্রির ক্রমাগত আবর্তন:
পৃথিবী অবিরত ঘূর্ণায়মান থাকার কারণে দিন ও রাত একে অপরের পর পর ঘুরে আসে। ফলে সময়ের বিভাজন ঘটে—সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা ও রাত।
৩. সময় গণনা ও দ্রাঘিমার পার্থক্য:
পৃথিবীর আবর্তনের ফলে দ্রাঘিমার পার্থক্য অনুযায়ী বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে সময়ের পার্থক্য দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, ভারত ও ইংল্যান্ডের সময়ের মধ্যে প্রায় ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিটের ব্যবধান।
৪. ঘূর্ণনজনিত বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন (Coriolis Effect):
পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে বায়ু ও সাগর স্রোতের দিক বাঁক নেয়—উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাঁদিকে।
৫. মেরু চাপা ও নিরক্ষীয় স্ফীতি:
ঘূর্ণনের ফলে পৃথিবী সম্পূর্ণ গোলাকার নয়—বরং মেরু অঞ্চলে সামান্য চাপা ও নিরক্ষরেখায় ফোলা আকার ধারণ করেছে।
পরিক্রমণ গতির ফলাফল (Results of Revolution):
১. ঋতু পরিবর্তন:
পৃথিবী সূর্যের চারদিকে হেলানো অক্ষসহ পরিক্রমণ করার ফলে বিভিন্ন সময়ে সূর্যের কিরণ পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন অংশে পড়ে। এর ফলে বছরে চারটি ঋতুর সৃষ্টি হয়—বসন্ত, গ্রীষ্ম, বর্ষা (বা শরৎ) এবং শীত।
২. দিন ও রাত্রির দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন:
পৃথিবীর অক্ষ হেলানো থাকার কারণে বছরের বিভিন্ন সময়ে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়। যেমন—গ্রীষ্মে দিন দীর্ঘ ও রাত ছোট, আর শীতে রাত দীর্ঘ ও দিন ছোট হয়।
৩. অয়ন ও বিষুবের সৃষ্টি:
বছরে দু’বার (২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর) সূর্য বিষুবরেখার উপর লম্বভাবে অবস্থান করে—তখন দিন ও রাত সমান হয় (বিষুব)।
আবার ২১ জুন ও ২২ ডিসেম্বর সূর্য যথাক্রমে কর্কট ও মকরক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে পড়ে—যা অয়ন নামে পরিচিত।
৪. বছরের বা ক্যালেন্ডারের সৃষ্টি:
পৃথিবীর সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ৩৬৫ দিন সময় লাগে। তাই পরিক্রমণের ভিত্তিতেই সৌর বর্ষ বা এক বছরের ধারণা তৈরি হয়েছে।
৫. বিভিন্ন অক্ষাংশে জলবায়ুর পার্থক্য:
পরিক্রমণের ফলে সূর্যের তাপ পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে ভিন্নভাবে পড়ায় জলবায়ুর ভিন্নতা সৃষ্টি হয়—যেমন গ্রীষ্মমণ্ডলীয়, নাতিশীতোষ্ণ ও শীতল জলবায়ু অঞ্চল।
উপসংহার:
সামগ্রিকভাবে বলা যায় যে, পৃথিবীর গতি কেবল একটি ভৌগোলিক বিষয় নয়, বরং এটি পৃথিবীর বুকে প্রাণস্পন্দন টিকিয়ে রাখার প্রধান নিয়ামক। আহ্নিক গতির ফলে সৃষ্টি হওয়া দিন ও রাত্রি যেমন জীবজগতের বিশ্রামের ও কর্মতৎপরতার ভারসাম্য রক্ষা করে, তেমনই বার্ষিক গতির প্রভাবে ঘটা ঋতু পরিবর্তন প্রকৃতির বৈচিত্র্য ও সজীবতা বজায় রাখে। পৃথিবীর এই অবিরাম পথচলা যদি স্তব্ধ হয়ে যেত, তবে এক গোলার্ধে চিরস্থায়ী অন্ধকার ও প্রচণ্ড শৈত্য এবং অন্য গোলার্ধে তীব্র দাবদাহে প্রাণের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেত।
সুতরাং, পৃথিবীর গতি -র এই জটিল অথচ নিখুঁত বিন্যাস আমাদের গ্রহকে সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহের তুলনায় অনন্য করে তুলেছে। সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা থেকে শুরু করে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন—সবকিছুর মূলেই রয়েছে এই গতির প্রভাব। বর্তমান বিজ্ঞানের যুগে পৃথিবীর এই গতিপথের গাণিতিক পরিমাপ ও তার প্রভাবগুলো সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা অত্যন্ত জরুরি, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য এটি ভূগোলের ভিত মজবুত করতে সাহায্য করে। এই গতির ছন্দময় আবর্তনই আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, প্রকৃতি এক অমোঘ নিয়মের বাঁধনে বাঁধা, যা পৃথিবীর জলবায়ু ও বাস্তুতন্ত্রকে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে সচল রেখেছে।
পৃথিবীর গতি: শীর্ষ ১০টি প্রশ্নোত্তর
১. পৃথিবীর গতি কয় প্রকার ও কী কী?
পৃথিবীর গতি প্রধানত দুই প্রকার:
- আহ্নিক গতি (Rotation): নিজের অক্ষের চারদিকে ঘোরা।
- বার্ষিক গতি (Revolution): সূর্যের চারদিকে ঘোরা।
২. আহ্নিক গতি কাকে বলে এবং এটি সম্পন্ন হতে কত সময় লাগে?
পৃথিবী তার মেরুদণ্ড বা অক্ষের ওপর ভিত্তি করে পশ্চিম থেকে পূর্বে যে অবিরাম পাক খাচ্ছে, তাকে আহ্নিক গতি বলে। এটি সম্পন্ন হতে পৃথিবীর সময় লাগে ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড (প্রায় ২৪ ঘণ্টা)।
৩. বার্ষিক গতি কী এবং এর সময়কাল কত?
পৃথিবী নিজের অক্ষের ওপর ঘুরতে ঘুরতে একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে সূর্যের চারদিকে যে পরিক্রমণ করে, তাকে বার্ষিক গতি বলে। সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
৪. পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল কী?
আহ্নিক গতির ফলে পৃথিবীতে:
- দিন ও রাত্রি সংঘটিত হয়।
- সমুদ্রস্রোত ও বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় (কোরিওলিস বলের প্রভাবে)।
- সময় গণনা করা সম্ভব হয়।
৫. ঋতু পরিবর্তন কেন হয়?
বার্ষিক গতি বা পরিক্রমণ গতির ফলেই পৃথিবীতে ঋতু পরিবর্তন ঘটে। সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় পৃথিবীর অক্ষের হেলানো অবস্থান এবং দূরত্বের পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন ঋতু (গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, শীত) পরিলক্ষিত হয়।
৬. লিপ ইয়ার (Leap Year) বা অধিবর্ষ কেন হয়?
পৃথিবীর সূর্যের চারদিকে ঘুরতে প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা সময় লাগে। এই বাড়তি ৬ ঘণ্টাকে সমন্বয় করার জন্য প্রতি চার বছর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাসে একটি দিন বাড়িয়ে (২৯ দিন) বছরটিকে ৩৬৬ দিনের করা হয়। একেই লিপ ইয়ার বলে।
৭. ‘অপসূর’ (Aphelion) এবং ‘অনুসূর’ (Perihelion) অবস্থান কী?
- অনুসূর: ৩রা জানুয়ারি সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে কম থাকে (প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ কিমি)।
- অপসূর: ৪ঠা জুলাই সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে (প্রায় ১৫ কোটি ২০ লক্ষ কিমি)।
৮. বিষুব (Equinox) কাকে বলে?
বছরের যে দুটি দিন (২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর) পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাত্রি সমান হয়, তাকে বিষুব বলে। ২১শে মার্চকে মহাবিষুব এবং ২৩শে সেপ্টেম্বরকে জলবিষুব বলা হয়।
৯. উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন এবং ক্ষুদ্রতম রাত্রি কবে হয়?
২১শে জুন উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন এবং ক্ষুদ্রতম রাত্রি হয়। একে কর্কটসংক্রান্তি বলা হয়।
১০. পৃথিবীর আবর্তন গতি কি সব জায়গায় সমান?
না। পৃথিবীর আবর্তন গতি নিরক্ষরেখায় সবচেয়ে বেশি (ঘণ্টায় প্রায় ১৬৭০ কিমি) এবং মেরু অঞ্চলের দিকে তা ক্রমশ কমতে থাকে। মেরুবিন্দুতে আবর্তন গতি প্রায় শূন্য।
পৃথিবীর গতি: Top 10 MCQs
১. পৃথিবীর একবার নিজ অক্ষের চারদিকে আবর্তন করতে সঠিক কত সময় লাগে?
(ক) ২৪ ঘণ্টা
(খ) ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড
(গ) ২৩ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড
(ঘ) ২৪ ঘণ্টা ৫ মিনিট
উত্তর: (খ) ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড
২. কোন গতির ফলে পৃথিবীতে দিন ও রাত্রি সংঘটিত হয়?
(ক) বার্ষিক গতি
(খ) আহ্নিক গতি
(গ) মুক্তি গতি
(ঘ) কক্ষীয় গতি
উত্তর: (খ) আহ্নিক গতি
৩. সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর কত সময় লাগে?
(ক) ৩৬৫ দিন
(খ) ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড
(গ) ৩৬৬ দিন
(ঘ) ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা
উত্তর: (খ) ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড
৪. পৃথিবীর আবর্তন গতি সবথেকে বেশি কোথায়?
(ক) কর্কটক্রান্তি রেখায়
(খ) মকরক্রান্তি রেখায়
(গ) নিরক্ষরেখায়
(ঘ) উত্তর মেরুতে
উত্তর: (গ) নিরক্ষরেখায়
৫. কোন দিনটিকে ‘মহাবিষুব’ বলা হয়?
(ক) ২৩শে সেপ্টেম্বর
(খ) ২১শে জুন
(গ) ২১শে মার্চ
(ঘ) ২২শে ডিসেম্বর
উত্তর: (গ) ২১শে মার্চ
৬. ৪ঠা জুলাই সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে, একে কী বলে?
(ক) অনুসূর
(খ) অপসূর
(গ) বিষুব
(ঘ) অয়নান্ত
উত্তর: (খ) অপসূর
৭. কোন তারিখে উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় এবং রাত্রি সবচেয়ে ছোট হয়?
(ক) ২২শে ডিসেম্বর
(খ) ২৩শে সেপ্টেম্বর
(গ) ২১শে জুন
(ঘ) ২১শে মার্চ
উত্তর: (গ) ২১শে জুন
৮. লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষে ফেব্রুয়ারি মাস কত দিনের হয়? (ক) ২৮ দিন
(খ) ২৯ দিন
(গ) ৩০ দিন
(ঘ) ২৭ দিন
উত্তর: (খ) ২৯ দিন
৯. ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তনের কারণ কী?
(ক) পৃথিবীর পরিক্রমণ গতি
(খ) পৃথিবীর আবর্তন গতি
(গ) মধ্যাকর্ষণ শক্তি
(ঘ) সূর্যের আকর্ষণ
উত্তর: (খ) পৃথিবীর আবর্তন গতি (কোরিওলিস বলের প্রভাবে)
১০. উত্তর গোলার্ধে যখন শীতকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন কোন ঋতু?
(ক) শরৎকাল
(খ) বসন্তকাল
(গ) গ্রীষ্মকাল
(ঘ) শীতকাল
উত্তর: (গ) গ্রীষ্মকাল