ভূমিকা:
ভারতের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় বিচারবিভাগ হলো সংবিধানের পরম রক্ষাকর্তা এবং ন্যায়বিচারের সর্বোচ্চ স্তম্ভ। ভারতীয় সংবিধানের ৫ম অংশের ৪র্থ অধ্যায়ে ১২৪ থেকে ১৪৭ নম্বর ধারায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট -এর গঠন, ক্ষমতা ও এক্তিয়ার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ১৯৫০ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত এই আদালতটি ভারতের অখণ্ড বিচারব্যবস্থার শীর্ষে অবস্থান করে। এটি কেবল দেশের সর্বোচ্চ আপিল আদালতই নয়, বরং ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যায়ক এবং জনগণের মৌলিক অধিকারের অতন্দ্র প্রহরী।
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট -এর প্রধান লক্ষ্য হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখা। ভারতের শাসনতন্ত্র অনুযায়ী, এই আদালত একটি ‘কোর্ট অফ রেকর্ড’ (Court of Record), যার অর্থ এর সমস্ত সিদ্ধান্ত বা রায় পরবর্তীকালে ভারতের যেকোনো আদালতে আইন বা নজির হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একক বিচারব্যবস্থা হওয়ার কারণে ভারতের যে কোনো প্রান্তের নাগরিক ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় এই সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারা অনুযায়ী, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে সুপ্রিম কোর্ট সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে এবং বিভিন্ন ‘লেখ’ বা রিট জারি করে তা পুনরুদ্ধার করে। এককথায়, ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা এবং সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ণ রাখতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট -এর ভূমিকা অপরিসীম ও অনস্বীকার্য।

ভারতের সুপ্রিম কোর্টের গঠন (Article 124):
ভারতীয় সংবিধানের ১২৪ নং ধারায় সুপ্রিম কোর্টের গঠন নির্ধারিত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি বিচারপতিদের কলেজিয়াম কর্তৃক প্রদত্ত সুপারিশের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ করেন।
- সুপ্রিম কোর্টে একজন প্রধান বিচারপতি (CJI) এবং অন্যান্য বিচারপতিরা থাকেন (সংখ্যা প্রয়োজনে সংসদ বাড়াতে পারে)।
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের যোগ্যতা:
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হতে হলে—
- ভারতের নাগরিক হতে হবে।
- কমপক্ষে ৫ বছর কোনো উচ্চ আদালতের বিচারপতি থাকতে হবে অথবা
- কমপক্ষে ১০ বছর উচ্চ আদালতের আইনজীবী হতে হবে।
- অথবা রাষ্ট্রপতির মতে আইনজগতে বিশেষ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বিচারপতিদের কার্যকাল ও অপসারণ:
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির পদে তারা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত থাকতে পারেন।
- ইচ্ছা করলে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন।
- বিচারপতির অপসারণ বা ইমপিচমেন্ট সংসদে “প্রমাণিত অসদাচরণ বা অক্ষমতা”-র ভিত্তিতে করা যায়।
- রাষ্ট্রপতি সংসদের প্রস্তাব অনুমোদন করলে বিচারপতি অপসারিত হন।
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা ও কার্যাবলী:
ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা চার ভাগে ভাগ করা যায়—
- (ক) মূল এলাকা
- (খ) আপিল এলাকা
- (গ) পরামর্শদান এলাকা
- (ঘ) নির্দেশ/আদেশ/রিট জারি করার এলাকা
মূল এলাকা (Original Jurisdiction – Article 131):
এই ক্ষমতা ফেডারেল বা যুক্তরাষ্ট্রীয় চরিত্রের ফল।
সুপ্রিম কোর্টের মূল এলাকাভুক্ত বিরোধসমূহ—
- কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে এক বা একাধিক রাজ্যের বিরোধ।
- কেন্দ্র + এক বা একাধিক রাজ্য বনাম অন্য রাজ্য/রাজ্যগুলির বিরোধ।
- দুই বা একাধিক রাজ্যের পারস্পরিক বিরোধ।
- এই বিরোধগুলির বিচার শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টই করতে পারে।
- হাইকোর্ট বা অধস্তন আদালত এই ক্ষমতা ভোগ করে না।
আপিল এলাকা (Appellate Jurisdiction – Articles 132, 133, 134, 136):
সুপ্রিম কোর্ট হলো দেশের চূড়ান্ত আপিল আদালত।
চার প্রকার আপিল—
- দেওয়ানী আপিল (Civil Appeal) – Article 133
- ফৌজদারি আপিল (Criminal Appeal) – Article 134
- সংবিধান ব্যাখ্যা সম্পর্কিত আপিল – Article 132
- বিশেষ অনুমতি সূত্রে আপিল (SLP – Special Leave Petition) – Article 136
- যেকোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা যায়।
পরামর্শদান এলাকা (Advisory Jurisdiction – Article 143):
সুপ্রিম কোর্ট রাষ্ট্রপতির আইনি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করতে পারে।
রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের কাছে দুইভাবে মতামত চাইতে পারেন—
গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্ন:
- সুপ্রিম কোর্ট মত দিতে পারে বা না-ও দিতে পারে।
- রাষ্ট্রপতি মত নিলে তা মানতে বাধ্য নয়।
সংবিধান চালুর পূর্ববর্তী চুক্তি বা সনদ সম্পর্কিত বিরোধ:
- রাষ্ট্রপতি পরামর্শ চাইলে আদালতকে মতামত দিতেই হবে।
- তবে রাষ্ট্রপতি তা গ্রহণ করতে বাধ্য নন।
- মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে এই ক্ষমতা নেই—এটি ভারতের বিশেষতা।
রিট/নির্দেশ/আদেশ জারি করার ক্ষমতা (Article 32):
ভারতীয় সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারা অনুযায়ী ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য যে পাঁচ ধরনের রিট (Writ), নির্দেশ বা আদেশ জারি করতে পারে, সেগুলি নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারাকে ড. বি. আর. আম্বেদকর “সংবিধানের হৃদয় ও আত্মা” বলে অভিহিত করেছেন। এই ধারার অধীনে সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের মৌলিক অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য পাঁচ প্রকার রিট জারি করতে পারে:
- বন্দি-প্রত্যক্ষীকরণ (Habeas Corpus): কোনো ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে আটক রাখা হলে তাকে আদালতের সামনে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। যদি আটক আইনসম্মত না হয়, তবে আদালত তাকে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দেয়।
- পরমাদেশ বা হুকুম (Mandamus): কোনো সরকারি সংস্থা বা ব্যক্তি যদি তার আইনত নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করে, তবে সুপ্রিম কোর্ট তাকে সেই কাজ করার জন্য আদেশ দেয়।
- প্রতিষেধ (Prohibition): নিম্ন আদালত বা আধা-বিচার বিভাগীয় কোনো সংস্থা যদি তার এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে কোনো মামলার বিচার করে, তবে উচ্চ আদালত সেই বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করার জন্য এই রিট জারি করে।
- অধিকার পৃচ্ছা (Quo-Warranto): কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধভাবে কোনো সরকারি পদ দখল করে রাখেন, তবে আদালত তাকে প্রশ্ন করে যে তিনি “কোন অধিকারে” সেই পদ ভোগ করছেন। পদটি অবৈধ প্রমাণিত হলে তাকে সেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
- উৎপেষণ (Certiorari): নিম্ন আদালতের কোনো বিচার বা রায় যদি আইনসম্মত না হয় বা বিচারক তার এক্তিয়ার বহির্ভূত কাজ করেন, তবে সেই বিচারের নথিপত্র উচ্চ আদালতে পাঠিয়ে তা বাতিল বা সংশোধন করার জন্য এই রিট জারি করা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ৩২ নম্বর ধারা অনুযায়ী সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়া নিজেই একটি মৌলিক অধিকার।
- সাধারণ অবস্থায় রাষ্ট্রপতি ব্যতীত কেউ এই অধিকার খর্ব করতে পারে না (কেবল জরুরি অবস্থার সময় এটি স্থগিত থাকতে পারে)।
উপসংহার:
পরিশেষে বলা যায় যে, ভারতের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোয় সুপ্রিম কোর্ট কেবল একটি বিচার বিভাগীয় প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি দেশের সংবিধান এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকারের প্রধান রক্ষাকবচ। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আইনসভা বা শাসনবিভাগ যদি কখনও তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে অথবা সংবিধান বহির্ভূত কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তবে সুপ্রিম কোর্ট তার ‘বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার’ (Judicial Review) ক্ষমতার মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করে শাসনতান্ত্রিক ভারসাম্য বজায় রাখে। সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারার অধীনে রিট বা লেখ জারির ক্ষমতা এই আদালতকে সাধারণ মানুষের অধিকারের অতন্দ্র প্রহরীতে পরিণত করেছে।
একক ও অখণ্ড বিচারব্যবস্থার শীর্ষে অবস্থান করে সুপ্রিম কোর্ট যেমন কেন্দ্র ও রাজ্যের বিবাদ মেটায়, তেমনি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত আপিল আদালত হিসেবে ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করে। ‘কোর্ট অফ রেকর্ড’ হিসেবে এর রায়গুলি দেশের নিম্ন আদালতগুলোর জন্য আইনি দিশারি হিসেবে কাজ করে। ভারতের মতো বৈচিত্র্যময় দেশে আইনের শাসন এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত অপরিহার্য। আধুনিক সময়ে ‘জনস্বার্থ মামলার’ (PIL) মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে আদালতের সক্রিয় ভূমিকা ভারতের বিচারব্যবস্থাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যা গণতান্ত্রিক আদর্শকে আরও সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করে তুলেছে।
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট: শীর্ষ ১০টি প্রশ্নোত্তর
১. ভারতের সুপ্রিম কোর্ট কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ১৯৫০ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ভারতের সর্বোচ্চ বিচারবিভাগীয় কর্তৃপক্ষ।
২. ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতা কী কী?
সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হতে গেলে কোনো ব্যক্তিকে অবশ্যই:
- ভারতের নাগরিক হতে হবে।
- অন্তত ৫ বছর কোনো উচ্চ আদালতের (High Court) বিচারক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, অথবা
- অন্তত ১০ বছর কোনো উচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে হবে, অথবা
- রাষ্ট্রপতির মতে তিনি একজন বিশিষ্ট আইনজ্ঞ হতে হবে।
৩. সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের কে নিয়োগ করেন?
ভারতের রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ করেন। প্রধান বিচারপতির নিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণত জ্যেষ্ঠতার নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
৪. বিচারকদের অবসরের বয়স কত?
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত পদে আসীন থাকতে পারেন।
৫. ‘কোলজিয়াম ব্যবস্থা’ (Collegium System) কী?
এটি এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ এবং বদলি করা হয়। এই ব্যবস্থায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং অন্য চারজন জ্যেষ্ঠ বিচারকের একটি কমিটি থাকে, যারা সরকারের কাছে নাম সুপারিশ করেন।
৬. সুপ্রিম কোর্টকে কেন ‘সংবিধানের অভিভাবক’ বলা হয়?
সংবিধানের ব্যাখ্যা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠলে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এছাড়া কোনো আইন সংবিধানবিরোধী হলে সুপ্রিম কোর্ট তা বাতিল করতে পারে (Judicial Review), তাই একে সংবিধানের অভিভাবক ও রক্ষাকর্তা বলা হয়।
৭. সুপ্রিম কোর্টের প্রধান তিনটি এলাকা বা এক্তিয়ার (Jurisdiction) কী কী?
- মূল এলাকা (Original Jurisdiction): কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে বিবাদ মেটানো।
- আপিল এলাকা (Appellate Jurisdiction): নিচের আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শোনা।
- পরামর্শদান এলাকা (Advisory Jurisdiction): রাষ্ট্রপতি চাইলে কোনো আইনি বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া।
৮. সুপ্রিম কোর্টে মোট কতজন বিচারক থাকেন?
বর্তমানে (২০২৪-২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী) সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতিসহ মোট ৩৪ জন বিচারক থাকার বিধান রয়েছে।
৯. রিট (Writ) জারি করার ক্ষমতা কী?
মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট পাঁচ ধরনের রিট (বন্দি-প্রত্যক্ষীকরণ, পরমাদেশ, প্রতিষেধ, অধিকার পৃচ্ছা এবং উৎপেষণ) জারি করতে পারে।
১০. সুপ্রিম কোর্ট কোথায় অবস্থিত?
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট দেশটির রাজধানী নতুন দিল্লিতে অবস্থিত। তবে প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতির অনুমতি নিয়ে দেশের অন্য কোনো স্থানেও সুপ্রিম কোর্টের অধিবেশন ডাকতে পারেন।
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট: Top 10 MCQs
১. ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অবসরের বয়স কত?
(ক) ৬০ বছর
(খ) ৬২ বছর
(গ) ৬৫ বছর
(ঘ) ৭০ বছর
উত্তর: (গ) ৬৫ বছর
২. ভারতের সংবিধানের কোন ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট ‘রিট’ (Writ) জারি করতে পারে?
(ক) ২২৬ নম্বর ধারা
(খ) ৩২ নম্বর ধারা
(গ) ১৪৩ নম্বর ধারা
(ঘ) ১২৪ নম্বর ধারা
উত্তর: (খ) ৩২ নম্বর ধারা
৩. সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে কে নিয়োগ করেন?
(ক) প্রধানমন্ত্রী
(খ) উপ-রাষ্ট্রপতি
(গ) আইনমন্ত্রী
(ঘ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর: (ঘ) রাষ্ট্রপতি
৪. বর্তমানে (২০২৪-২৬) সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতিসহ মোট বিচারকের সংখ্যা কত?
(ক) ৩১ জন
(খ) ৩৩ জন
(গ) ৩৪ জন
(ঘ) ৩০ জন
উত্তর: (গ) ৩৪ জন
৫. কাকে ‘ভারতীয় সংবিধানের অভিভাবক’ বলা হয়?
(ক) সংসদ
(খ) রাষ্ট্রপতি
(গ) সুপ্রিম কোর্ট
(ঘ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর: (গ) সুপ্রিম কোর্ট
৬. সুপ্রিম কোর্ট কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
(ক) ১৯৪৭ সালে
(খ) ১৯৫০ সালে
(গ) ১৯৫২ সালে
(ঘ) ১৯৩৫ সালে
উত্তর: (খ) ১৯৫০ সালে (২৮ জানুয়ারি)
৭. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের কাছে আইনি পরামর্শ চাইতে পারেন?
(ক) ১২৪ নম্বর ধারা
(খ) ১৩১ নম্বর ধারা
(গ) ১৪৩ নম্বর ধারা
(ঘ) ১৪৮ নম্বর ধারা
উত্তর: (গ) ১৪৩ নম্বর ধারা
৮. সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার জন্য উচ্চ আদালতে (High Court) কত বছর আইনজীবী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন?
(ক) ৫ বছর
(খ) ৭ বছর
(গ) ১০ বছর
(ঘ) ১৫ বছর
উত্তর: (গ) ১০ বছর
৯. ভারতের প্রথম প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন?
(ক) এম. পতঞ্জলি শাস্ত্রী
(খ) এইচ. জে. কানিয়া (H. J. Kania)
(গ) মেহের চাঁদ মহাজন
(ঘ) বি. কে. মুখোপাধ্যায়
উত্তর: (খ) এইচ. জে. কানিয়া
১০. কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে বিবাদ মীমাংসা সুপ্রিম কোর্টের কোন এক্তিয়ারের অন্তর্ভুক্ত?
(ক) আপিল এলাকা
(খ) পরামর্শদান এলাকা
(গ) মূল এলাকা (Original Jurisdiction)
(ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: (গ) মূল এলাকা