ভূমিকা:
ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষাবিস্তারে খ্রিস্টান মিশনারিদের অবদান অনস্বীকার্য। আঠারো শতকের শেষে এবং উনিশ শতকের শুরুতে যখন ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এদেশীয়দের শিক্ষাদানে উদাসীন ছিল, তখন খ্রিস্টান মিশনারিরাই প্রথম আধুনিক শিক্ষার ভিত্তি স্থাপন করেন। ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে শ্রীরামপুর মিশন প্রতিষ্ঠা এবং চার্লস গ্রান্টের মতো ব্যক্তিদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলায় এক নতুন যুগের সূচনা হয়। মূলত ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে এলেও, তাঁদের মাধ্যমেই এদেশের সাধারণ মানুষ ইংরেজি ভাষা, আধুনিক বিজ্ঞান ও পাশ্চাত্য দর্শনের সংস্পর্শে আসে। আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা মিশনারিদের সেই ঐতিহাসিক ভূমিকা এবং আধুনিক ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার বিবর্তন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

চার্লস গ্রান্টের প্রস্তাব (১৭৯২):
কোম্পানির অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী চার্লস গ্রান্ট ১৭৯২ সালে তাঁর ‘অবজারভেশন’ নামক পুস্তিকায় ভারতে একটি সুসংবদ্ধ আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করার প্রস্তাব দেন। যদিও কোম্পানি শুরুতে তা গ্রহণ করেনি, তবে এটিই ছিল এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষার অন্যতম আদি পরিকল্পনা।
ব্যাপটিস্ট মিশন ও শ্রীরামপুর ত্রয়ী:
১৮০০ খ্রিস্টাব্দে শ্রীরামপুরে উইলিয়াম কেরি, জোশুয়া মার্শম্যান এবং উইলিয়াম ওয়ার্ড ‘ব্যাপটিস্ট মিশন’ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁদের অবদানগুলো হলো:
- ছাপাখানা স্থাপন: শ্রীরামপুরে একটি ছাপাখানা তৈরি করে ২৬টি আঞ্চলিক ভাষায় বাইবেল অনুবাদ ও প্রকাশ করা হয়।
- সংবাদপত্র প্রকাশ: ভারতের প্রথম সংবাদপত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘দিগদর্শন’ এবং ‘সমাচার দর্পণ’ তাঁদের উদ্যোগেই প্রকাশিত হয়।
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: তাঁরা শ্রীরামপুর বিদ্যালয় এবং ১৮১৮ সালে বিখ্যাত শ্রীরামপুর কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
লন্ডন মিশনারি সোসাইটি:
লন্ডন মিশনারি সোসাইটির সদস্যরা কলকাতা এবং বাংলার বিভিন্ন জেলায় পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রসারের জন্য কাজ করেন।
- বিস্তৃতি: চুঁচুড়া, কালনা, বর্ধমান, বহরমপুর এবং মালদহে তাঁরা অসংখ্য বিদ্যালয় গড়ে তোলেন।
- এর ফলে মফস্বল এলাকাগুলোতেও আধুনিক শিক্ষার আলো পৌঁছাতে শুরু করে।
স্কটিশ মিশন ও আলেকজান্ডার ডাফ:
আলেকজান্ডার ডাফের নেতৃত্বে স্কটিশ মিশনারিরা বাংলায় পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারে বৈপ্লবিক ভূমিকা নেন।
- জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন: আলেকজান্ডার ডাফ কলকাতায় এই বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন (যা বর্তমানে স্কটিশ চার্চ কলেজ নামে পরিচিত)। এটি ‘ডাফ স্কুল’ নামেও পরিচিত ছিল।
- নারীশিক্ষা: মিশনারিদের পাশাপাশি ফিমেল জুভেনাইল সোসাইটি, মিস কুক, মেরি কার্পেন্টার এবং লুইস-এর উদ্যোগে নারীশিক্ষার ব্যাপক বিকাশ ঘটে।
মূল্যায়ন ও প্রভাব:
সরকারি সাহায্য ছাড়াই মিশনারিরা নিজেদের প্রচেষ্টায় এদেশে আধুনিক শিক্ষার প্রসার ঘটান।
- পাঠ্যক্রম: তাঁদের স্কুলে ধর্মশিক্ষার পাশাপাশি ইতিহাস, ভূগোল এবং ব্যাকরণ পড়ানো হতো।
- সচেতনতা: ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের মাধ্যমে ভারতীয়রা পাশ্চাত্য সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারে, যা ভারতে নবজাগরণের পথ প্রশস্ত করে।
উপসংহার:
পরিশেষে বলা যায়, মিশনারিদের শিক্ষা বিস্তারের মূলে ধর্মীয় উদ্দেশ্য থাকলেও, এর সুফল ছিল সুদূরপ্রসারী। সরকারি সাহায্যের তোয়াক্কা না করেই তাঁরা ইংরেজি ভাষা, আধুনিক বিজ্ঞান ও পাশ্চাত্য দর্শনের দরজা ভারতীয়দের জন্য খুলে দেন। তাঁদের প্রতিষ্ঠিত শ্রীরামপুর কলেজ বা জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন (স্কটিশ চার্চ কলেজ) আজও শিক্ষার আলোকবর্তিকা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। নারীশিক্ষা ও গণশিক্ষার প্রসারে তাঁদের এই নিঃস্বার্থ অবদান বাংলার নবজাগরণকে ত্বরান্বিত করেছিল এবং ভারতীয় সমাজকে আধুনিকতার পথে এগিয়ে দিয়েছিল।
ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষা ও মিশনারিদের অবদান: ১০০ FAQ
- ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার জনক কাকে বলা হয়? – লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ককে।
- ‘অবজারভেশন’ পুস্তকটি কে লিখেছিলেন? – চার্লস গ্রান্ট।
- চার্লস গ্রান্ট কবে তাঁর পুস্তকটি প্রকাশ করেন? – ১৭৯২ সালে।
- কাকে ‘ভারতে আধুনিক শিক্ষার অগ্রদূত’ বলা হয়? – চার্লস গ্রান্টকে।
- ভারতে প্রথম কারা আধুনিক বিদ্যালয় স্থাপন শুরু করেন? – খ্রিস্টান মিশনারিরা।
- মিশনারিদের এদেশে আসার প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল? – খ্রিস্টধর্ম প্রচার করা।
- শ্রীরামপুর মিশন কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৮০০ সালে।
- ‘শ্রীরামপুর ত্রয়ী’ কাদের বলা হয়? – উইলিয়াম কেরি, জোশুয়া মার্শম্যান ও উইলিয়াম ওয়ার্ডকে।
- উইলিয়াম কেরি কে ছিলেন? – একজন বিখ্যাত ব্যাপটিস্ট মিশনারি ও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৮০০ সালে।
- শ্রীরামপুর কলেজ কবে স্থাপিত হয়? – ১৮১৮ সালে।
- বাংলার প্রথম সংবাদপত্র কোনটি? – সমাচার দর্পণ (সাপ্তাহিক)।
- ‘দিগদর্শন’ পত্রিকা কবে প্রকাশিত হয়? – ১৮১৮ সালে।
- ‘সমাচার দর্পণ’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন? – জন ক্লার্ক মার্শম্যান।
- মিশনারিরা কেন ছাপাখানা স্থাপন করেছিলেন? – বাইবেল ও পাঠ্যপুস্তক ছাপানোর জন্য।
- মার্শম্যানের স্ত্রী কেন বিখ্যাত ছিলেন? – স্ত্রীশিক্ষা প্রসারে ভূমিকার জন্য।
- লন্ডন মিশনারি সোসাইটি কোথায় বিদ্যালয় স্থাপন করে? – চুঁচুড়া ও পার্শ্ববর্তী এলাকায়।
- রবার্ট মে কোন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন? – লন্ডন মিশনারি সোসাইটি।
- আলেকজান্ডার ডাফ কে ছিলেন? – একজন প্রখ্যাত স্কটিশ মিশনারি।
- জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন কে প্রতিষ্ঠা করেন? – আলেকজান্ডার ডাফ (১৮৩০ সালে)।
- জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন বর্তমানে কী নামে পরিচিত? – স্কটিশ চার্চ কলেজ।
- স্কটিশ চার্চ কলেজ কোথায় অবস্থিত? – কলকাতায়।
- ফিমেল জুভেনাইল সোসাইটি কবে গঠিত হয়? – ১৮১৯ সালে।
- মিশ কুক কোন বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন? – স্ত্রীশিক্ষা বা নারীশিক্ষা।
- পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে কোনো চার্টার অ্যাক্ট (সনদ আইন) গুরুত্বপূর্ণ? – ১৮১৩ সালের সনদ আইন।
- ১৮১৩ সালের সনদ আইনে শিক্ষার জন্য কত টাকা বরাদ্দ ছিল? – বার্ষিক ১ লক্ষ টাকা।
- ‘এ্যাংলিসিস্ট’ বা ‘পাশ্চাত্যবাদী’ কারা? – যারা ইংরেজি শিক্ষার পক্ষপাতী ছিলেন (যেমন- মেকলে)।
- ‘ওরিয়েন্টালিস্ট’ বা ‘প্রাচ্যবাদী’ কারা? – যারা সংস্কৃত বা আরবি শিক্ষার পক্ষপাতী ছিলেন (যেমন- এইচ. টি. প্রিন্সেপ)।
- মেকলে মিনিট (Macaulay’s Minute) কবে পেশ করা হয়? – ১৮৩৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি।
- লর্ড মেকলে কে ছিলেন? – বেন্টিঙ্ক-এর পরিষদের আইনি সদস্য।
- ‘চুইয়ে পড়া নীতি’ (Downward Filtration Theory) কী? – উচ্চবিত্তদের শিক্ষিত করলে শিক্ষা ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে—এই ধারণা।
- ভারতে ইংরেজি ভাষাকে সরকারি ভাষা হিসেবে কবে ঘোষণা করা হয়? – ১৮৩৫ সালে।
- উডের ডেসপ্যাচ (Wood’s Despatch) কবে প্রকাশিত হয়? – ১৮৫৪ সালে।
- ‘শিক্ষার ম্যাগনাকার্টা’ কাকে বলা হয়? – ১৮৫৪ সালের উডের নির্দেশনামাকে।
- উডের নির্দেশনামায় কয়টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কথা বলা হয়? – ৩টি (কলকাতা, বোম্বাই, মাদ্রাজ)।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৮৫৭ সালে।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম চ্যান্সেলর কে ছিলেন? – লর্ড ক্যানিং।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (VC) কে ছিলেন? – জেমস উইলিয়াম কোলভিল।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য কে? – স্যার গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
- হান্টার কমিশন কবে গঠিত হয়? – ১৮৮২ সালে।
- হান্টার কমিশনের লক্ষ্য কী ছিল? – প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নতি।
- কার আমলে হান্টার কমিশন গঠিত হয়? – লর্ড রিপন।
- স্যাডলার কমিশন কবে গঠিত হয়? – ১৯১৭ সালে।
- স্যাডলার কমিশন আর কী নামে পরিচিত? – কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কমিশন।
- ভার্নাকুলার প্রেস অ্যাক্ট কে প্রবর্তন করেন? – লর্ড লিটন (১৮৭৮)।
- কত সালে এদেশের শিক্ষা বিভাগ (Department of Public Instruction) গঠিত হয়? – ১৮৫৫ সালে।
- বুনিয়াদি শিক্ষার প্রবর্তক কে? – মহাত্মা গান্ধী।
- রাধাকৃষ্ণন কমিশন কবে গঠিত হয়? – ১৯৪৮ সালে।
- কোন কমিশন উচ্চশিক্ষার প্রসারে গুরুত্ব দেয়? – রাধাকৃষ্ণন কমিশন।
- ইউজিসি (UGC) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৯৫৬ সালে (আইনত)।
- হিন্দু কলেজ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৮১৭ সালের ২০ জানুয়ারি।
- হিন্দু কলেজ স্থাপনে প্রধান উদ্যোক্তা কে ছিলেন? – রাজা রামমোহন রায় ও ডেভিড হেয়ার।
- হিন্দু কলেজের বর্তমান নাম কী? – প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়।
- ডেভিড হেয়ার কে ছিলেন? – একজন ঘড়ি প্রস্তুতকারক ও সমাজসেবী।
- ক্যালকাটা স্কুল বুক সোসাইটি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৮১৭ সালে।
- ক্যালকাটা স্কুল সোসাইটি কবে গঠিত হয়? – ১৮১৮ সালে।
- বেথুন স্কুল (হিন্দু ফিমেল স্কুল) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৮৪৯ সালে।
- জন এলিয়ট ড্রিঙ্কওয়াটার বেথুন কে ছিলেন? – নারীশিক্ষার অন্যতম পথপ্রদর্শক।
- পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন? – সংস্কৃত কলেজ।
- বিদ্যাসাগর কতগুলি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন? – প্রায় ৩৫টি।
- মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন কে প্রতিষ্ঠা করেন? – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন বর্তমানে কী নামে পরিচিত? – বিদ্যাসাগর কলেজ।
- শান্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রম কে প্রতিষ্ঠা করেন? – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯০১)।
- বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবে কেন্দ্রীয় মর্যাদা পায়? – ১৯৫১ সালে।
- বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় কে প্রতিষ্ঠা করেন? – মদনমোহন মালব্য।
- আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় কে প্রতিষ্ঠা করেন? – স্যার সৈয়দ আহমেদ খান।
- মহামেডান অ্যাংলো-ওরিয়েন্টাল কলেজ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৮৭৫ সালে।
- বেদান্ত কলেজ কে প্রতিষ্ঠা করেন? – রাজা রামমোহন রায় (১৮২৫)।
- অ্যাকাডেমিক অ্যাসোসিয়েশন কে তৈরি করেন? – ডিরোজিও।
- ডিরোজিও-র অনুগামীদের কী বলা হতো? – ইয়ং বেঙ্গল (নব্যবঙ্গ)।
- এশিয়াটিক সোসাইটি কে প্রতিষ্ঠা করেন? – স্যার উইলিয়াম জোন্স (১৭৮৪)।
- কলকাতা মাদ্রাসা কে প্রতিষ্ঠা করেন? – ওয়ারেন হেস্টিংস (১৭৮১)।
- বেনারস সংস্কৃত কলেজ কে প্রতিষ্ঠা করেন? – জোনাথন ডানকান (১৭৯১)।
- আইআইটি (IIT) খড়গপুর কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৯৫১ সালে।
- বিশ্বভারতী কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৯২১ সালে।
- মেকলে মিনিটের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন? – লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক।
- স্ত্রীশিক্ষা বিধায়ক পুস্তকটি কে লিখেছিলেন? – রাধাকান্ত দেব।
- বামাবোধিনী পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন? – উমেশচন্দ্র দত্ত।
- বাংলার প্রথম মহিলা স্নাতক (Graduate) কারা? – কাদম্বিনী গাঙ্গুলী ও চন্দ্রমুখী বসু।
- প্রথম ভারতীয় মহিলা ডাক্তার কে? – কাদম্বিনী গাঙ্গুলী।
- কার উদ্যোগে কলকাতা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়? – লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক (১৮৩৫)।
- কলকাতা মেডিকেল কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ কে ছিলেন? – ড. এম. জে. ব্রামলি।
- কে প্রথম শবব্যবচ্ছেদ (Dissection) করেন? – মধুসূদন গুপ্ত (১৮৩৬)।
- তত্ত্ববোধিনী সভা কে প্রতিষ্ঠা করেন? – দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- পাশ্চাত্য শিক্ষার ফলে ভারতে কোন শ্রেণির উদ্ভব হয়? – শিক্ষিত মধ্যবিত্ত বা বুদ্ধিজীবী শ্রেণি।
- রামমোহন রায় কেন বিখ্যাত? – আধুনিক ভারতের জনক হিসেবে।
- সতীদাহ প্রথা কবে রদ হয়? – ১৮২৯ সালে।
- বিধবা বিবাহ আইন কবে পাস হয়? – ১৮৫৬ সালে।
- বিধবা বিবাহ আন্দোলনে প্রধান ভূমিকা কার ছিল? – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- পাশ্চাত্য শিক্ষার নেতিবাচক প্রভাব কী ছিল? – দেশীয় ভাষা ও সংস্কৃতির অবক্ষয়।
- জাতীয় শিক্ষা পরিষদ (NCE) কবে গঠিত হয়? – ১৯০৬ সালে।
- বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৯০৬ সালে।
- ডন সোসাইটি কে প্রতিষ্ঠা করেন? – সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়।
- জাতীয় শিক্ষা আন্দোলনের প্রধান কারণ কী ছিল? – ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ।
- সার্জেন্ট পরিকল্পনা কবে গৃহীত হয়? – ১৯৪৪ সালে।
- ভারতী পত্রিকা কার সম্পাদনায় চলত? – দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- ‘অ্যাকাডেমিক অ্যাসোসিয়েশন’ কোথায় বসত? – হিন্দু কলেজে।
- ভারতের প্রথম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কোনটি? – রুরকি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (বর্তমানে IIT Roorkee)।
- পাশ্চাত্য শিক্ষা কি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে সাহায্য করেছিল? – হ্যাঁ, এটি গণতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী চেতনার জন্ম দিয়েছিল।
- বর্তমানে ভারতের জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP) কত সালের? – ২০২০ সালের।